Skip to main content

Posts

Featured

একার্ণব কি?

প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রানুসারে এই জগত বিকাশের একটা চক্র আছে। একার্ণব-সত্য-ত্রেতা-দ্বাপর-কলি-একার্ণব। একার্ণবকালে মানুষ পুরোপুরি লোকস্বভাব অর্জন করে। একার্ণবকে সেকালের ভাষায় প্রলয়কালও বলা হত। এ হল অখণ্ড সমাজের কাল। তারপর সমাজ খণ্ডিত হয়, ক্রমশ বিচূর্ণীভূত হয়, সত্য-ত্রেতা-দ্বাপর-কলি পেরিয়ে গোটা সমাজ একীভূত সমাজদেহ লাভ করে একার্ণবে। একালের ভাষায় একে বলে গ্লোবাল-ভিলেজ, একাকার: আর সেইরূপ সমাজিক পরিস্থিতির দিকে পুনরায় যাত্রাকে বলে গ্লোবালাইজেশান। সেটি সম্পূর্ণ হলেই মানবসমাজ সেই একার্ণবের যুগে ঢুকে পড়বে। তাই বলে এটাকে কেউ যেন পিছনের দিকে ফিরে যাওয়া ভেবে ভুল না-করেন। প্রতিটি একার্ণবই পূর্বতন একার্ণব থেকে বহু উন্নতমানের এবং বারো হাজার বছরের তিতিক্ষালদ্ধ অর্জনের দ্বারা সমৃদ্ধ। কারণ, পুরাণ অনুসারে সত্য-ত্রেতা-দ্বাপর-কলি নিয়ে এক যুগ হয়, যার পরিমান বার হাজার বছর। আর, আমরা জেনেছি কৃষিকাজ আবিষ্কার করে মানুষ সত্যযুগে পা রেখেছিল আজ থেকে ঠিক বারো হাজার বছর আগে। সেই কারণে কোনও কোনও পুরাণবাদীগণ সম্প্রতি তাঁদের নিজেদের হিসেবে যে বলতে শুরু করেছেন ‘কলিযুগ শেষ হয়ে গেছে’,* কথাটা একেবারে ভূয়া নয়। *সম্প্রত...

Latest Posts

ভারতের সেচ বিভাগের ইঞ্জিনিয়ারেরা ‘ইডিয়ট’ — বিমান বিহারী মাইতি

কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন || কলিম খান

The Serpent Power

উদ্ধারণপুরের ঘাট

পুরুষপ্রকৃতি

ভবা পাগলা : পরমে পরম জানিয়া

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের তন্ত্রসাধন